প্রকাশ : ... | ... | ...

শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় দোষী ও ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে


সংযুক্ত ছবি

রামগঞ্জ উপজেলার স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফরিদ আহমদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মেহেদির মর্মান্তিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। তিনি নিহত শিক্ষার্থীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং বলেন, এই দুঃখজনক ঘটনার পরপরই তিনি প্রশাসনের সকল স্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করেছেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে শোকাবহ এই পরিস্থিতিকে পুঁজি করে একদল সুযোগসন্ধানী দুষ্কৃতকারী ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এমপি সেলিম জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তার আহ্বানে রামগঞ্জ ও চাটখিল উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে আসেন। এ সময় ভাঙচুর প্রতিরোধ করতে গিয়ে ভোলা কোট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। তিনি বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রশাসনের ধৈর্যশীল ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, তাদের সাহসী উদ্যোগের ফলে প্রতিষ্ঠানটি বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার বিষয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে সংসদ সদস্য বলেন, শিক্ষার্থী মেহেদির মৃত্যুর পেছনে কোনো অবহেলা বা দায় থাকলে তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদ্ঘাটন করা হবে এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হবে। এছাড়া, শোকের আড়ালে পরিকল্পিতভাবে যারা হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। সবশেষে তিনি সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের গুজব বা উসকানিতে কান না দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে। উল্লেখ্য, এই বক্তব্যটি সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রকাশ করেন।