লক্ষ্মীপুরে ১০ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার (ধর্ষণ) করার অভিযোগে মুরাদ হোসেন নামে এক মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে মুরাদকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
অভিযুক্ত মুরাদ হোসেন পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের আটিয়াতলী গ্রামের কাশিফুল উলুম মাদরাসার পরিচালক। তিনি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবদুর রহমানের ছেলে।
ভুক্তভোগী শিশু ওই মাদরাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিসিক এলাকায়।
সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় মাদরাসা থেকে মুরাদকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সদর থানায় শিশুটির মা হোসনেয়ারা একটি মামলা দায়ের করেন।
শিশুটির ভগ্নিপতি মো. মোহন জানান, তার শ্যালক কাশিফুল উলুম মাদরাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী। প্রায় তিন বছর আগে তাকে ওই মাদরাসায় ভর্তি করা হয়। সে আবাসিকে থেকে পড়াশোনা করত।
তিনি জানান, সোমবার (২২ জুন) বিকেলে শিশুটির মা তাকে দেখতে মাদরাসায় গেলে শিশুটি সেখানে আর থাকতে চায় না বলে জানায়। কারণ জানতে চাইলে সে শিক্ষক কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের বিষয়টি মায়ের কাছে তুলে ধরে।
শিশুটির বরাত দিয়ে মোহন আরও জানান, গত ১৪ জুন রাতে মাদরাসার পরিচালক তাকে হাত-পা টিপে দিতে বলেন। পরে সুযোগ বুঝে তাকে বলাৎকার করেন। বিষয়টি মাদরাসা পরিচালকের শাশুড়ি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজনকে অবহিত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনাটি স্বীকার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।