দুই বছরেও শেষ হয়নি নতুন ভবনের কাজ, ১৬ বছর ধরে টিনের ঘরে পাঠদান

‘১৬ বছর ধরে ছোট্ট দুটি টিনের ঘরে গাদাগাদি করে ক্লাস করতে হচ্ছে। ভালো টয়লেট নেই, খেলার মাঠও নেই। ঝড়-বৃষ্টি হলে আতঙ্কে থাকতে হয়। তখন অনেক সময় ছুটি হয়ে যায়। নতুন ভবনের কাজ চলছে দুই বছর ধরে। দ্রুত কাজ শেষ করতে ইউএনও স্যার ও শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে ঠিকাদারকে বললে আমাদের উপকার হতো।’ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের চরঘাসিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে সায়মা ও খুকিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী এসব কথা বলে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, মেঘনা নদীসংলগ্ন চরঘাসিয়া গ্রামে ৩০ শতাংশ জমিতে ২০১১ সালে তিন কক্ষবিশিষ্ট চরঘাসিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত সংকট থাকায় নতুন ভবনের জন্য ১৫ বার আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তিনতলা ভবন নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজটি করছেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আকবর হোসেন আরমান। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শিক্ষা কর্মকর্তা দুবার বিদ্যালয়টি সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তাঁরা বিদ্যালয়ের অবস্থা দেখে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত ভবন নির্মাণের কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন। প্রধান শিক্ষক জহির হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর ধরে কষ্টে আছি। ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয় পরিদর্শনে এসে দ্রুত কাজ শেষ করার কথা বললেও ঠিকাদার কাজ শেষ করছেন না।’ তবে ঠিকাদার অ্যাডভোকেট আকবর হোসেন আরমান বলেন, ‘বিভিন্ন সমস্যার কারণে কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে।’ দুর্গম চরের বিদ্যালয়গুলোতেও শিক্ষক সংকট শুধু অবকাঠামোগত সংকট নয়, মেঘনা নদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট ও নিয়মিত পাঠদান নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষক সংকট, অনিয়মিত উপস্থিতি ও প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতির কারণে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। মেঘনার দুর্গম চরের চরঘাসিয়া, চরইন্দ্রুরিয়া ও দক্ষিণ চরইন্দ্রুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসংক্রান্ত বিভিন্ন সংকট রয়েছে। অনুমোদিত পদের তুলনায় শিক্ষক কম থাকায় অনেক বিদ্যালয়েই সীমিতসংখ্যক শিক্ষক দিয়ে কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। ১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত চর ইন্দ্রুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে আটজন শিক্ষক ও ২৩৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে চলতি বছরে নিয়মিত ক্লাস হয় না বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষকরা মাঝেমধ্যে বিদ্যালয়ে এলেও নিয়মিত পাঠদান হয় না। এতে তারা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। প্রধান শিক্ষক স্বৃতিকনা পাল বলেন, বিদ্যালয় ভবনটি প্রায় ১০ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ। বিদ্যালয়ে সীমানাপ্রাচীরও নেই। তবে শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছেন। অন্যদিকে, ২০০২ সালে...

$post['title']

পাঠদানের সময় শ্রেণিকক্ষেই মারা গেলেন মাদরাসা শিক্ষক

$post['title']

শিক্ষিকার বেত্রাঘাতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আহত, ইউএনওকে অভিযোগ

$post['title']

এসএসসিতে রায়পুরে প্রথম এলএম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

$post['title']

এসএসসিতে লক্ষ্মীপুরে পাসের হার ৬৩.৯২%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৬২ জন

$post['title']

মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী